বাঘায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান লাভলুকে ঘোড়ায় চড়িয়ে বরণ

February 28, 2019 at 10:12 pm

বাঘা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আ.লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দিন লাভলু। এদিকে এ উপলক্ষে উপজেলার পদ্মার চরের চকরাজাপুরে তাকে ঘোড়ায় চড়িয়ে, ফুলের মালা ‍ও টাকার মালা পরিয়ে বরণ করে নিয়েছে স্থানীয় আ.লীগের নেতৃৃৃবৃন্দ। আজ বৃহস্পতিবার চকরাজাপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. সালামের নেতৃত্বে তাকে বরণ করে নেয়া হয়।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দিন লাভলুকে পদ্মার চকরাচাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালী, চকরাজাপুর বাজার, দাদপুর বাজার, শহরের মোড়, পুরাতন পলাশি ফতেপুর বাজার, নতুন পলাশি ফতেপুর বাজার এলাকায় ঘোড়ায় চড়িয়ে টাকার ও ফুলের মালা পরিয়ে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরাজাপুর ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন শিকদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আ,লীগের সভাপতি রুপদাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জামাল শেখ, ৫ নম্বর য়োর্ড সভাপতি মাজোত ফকির, সাধারণ সম্পাদক ৭ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ডালিম মেম্বর, ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আবদুল লতিফ খাঁ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সরকার, আ.লীগ নেতা মজিবুর রহমান মষ্টার, নজরূল ইসলাম, হাসেম ডিলার, কুরবান আলী, মোজাম্মেল খাঁ প্রমুখ।

এবিষয়ে রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, লায়েব উদ্দিন লাভলু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হলেও এখনো কমিশন থেকে গেজেট প্রকাশিত হয়নি। বাঘা উপজেলা পুরুষ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হবে।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম জানান, চরবাসীর রেওয়াজ অনুযায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান লাভলুকে এভাবে সংবর্ধনা দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী লায়েব উদ্দিন লাভলু বিনা প্রতিদ্বদ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই আনন্দে আমরা চরবাসী তাকে এভাবেই সংবর্ধনা দিয়েছি।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দিন লাভলু বলেন, আসলে তেমন কোনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর আমি চরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়েছিলাম। ওই সময় চরবাসী টাকার মালা ও ফুলের মালা পরিয়ে ঘোড়ায় চড়িয়ে দেয়। এ মালাতে পাঁচ টাকা, দশ টাকা থেকে ১০০ টাকার নোট ছিল। এব্যাপারে প্রথমে আমি আপত্তি করেছিলাম। আমি এ ধরনের বরণ অনুষ্ঠান বর্জন করলে তারা মনে দুঃখ পাবেন। চরবাসী আমাকে অহঙ্কারী ভাবতে পারেন বলে চরবাসী আমাকে জানান। তাই আমি টাকার মালা গলায় পরতে রাজি হই। এটি তেমন কোনো বড় অনুষ্ঠান নয় বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বাঘা উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১০ মার্চ। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয় ২০ ফেব্রুয়ারি। বাঘা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হবে না। নির্বাচনে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যানে দুই জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বীতা করছেন।

স/শা

Print