দুর্গাপুরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সনদের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

January 14, 2019 at 6:52 pm

দুর্গাপুর প্রতিনিধি:
দুর্গাপুর উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের সদ্য বিদায়ী শিক্ষার্থীদের থেকে সনদ প্রদানের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরকারি ওই প্রতিষ্টানের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। এঘটনায় শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা যায়।

কাঁঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মোসাব্বির হোসেন বলেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের নিয়মনীতি রয়েছে। কিন্তু এই প্রতিষ্টানের সরকারি কোন নিয়ম নীতি মানা হয় না। আমার মেয়ে শান্তা খাতুন ওই প্রতিষ্টানের একজন শিক্ষার্থী এবং আমি প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক সদস্য রযেছি। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুয়ায়ী কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে সরকারি দপ্তরের চিঠি এবং ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে মিটিং করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে হবে। কিন্তু কাঁঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে তার উল্টোটা দেখা যায়। এখানে প্রধান শিক্ষক এন্তাজ আলী ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নূরুল নবীর একক সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করা হয়। গত ২০১৮ সালের সদ্য বিদায়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি কোন চিঠি কিংবা ম্যানেজিং কমিটির কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতি নিজের ইচ্ছে মত টাকা আদায় করে নিয়েছেন। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু তাতে প্রধান শিক্ষক বলেন সভাপতির অনুমতি রয়েছে। এটা কারো কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এন্তাজুল রহমান বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি শিক্ষার করে বলেন, উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সনদের জন্য টাকা নিচ্ছে। আমরাও অল্প কিছু করে টাকা নিয়েছি।

এ বিষয়ে স্কুলের সভাপতি নূরুল নবী বলেন, তিনি বলেন স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তা শুনেছি। কিন্তু কেন নিচ্ছে এবং কি বাবদে নিচ্ছে তা আমার জানা নেই। আমার এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে কোন যোগাযোগ হয়নি। তবে তিনি আরো জানান অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সনদের জন্য টাকা নিচ্ছে তাই এ প্রতিষ্ঠান নিয়েছে বলে জানান।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন অর্থ নেওয়ার বিধান নেই। তবে এমন অভিযোগ আমার জানা নেই। যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে থাকে তা আমরা ক্ষতিয়ে দেখবো।

স/অ

Print