“মুক্তিযোদ্ধাদের দুইটি নয়, তিনটি বোনাস দেওয়া হবে”

March 22, 2018 at 10:23 pm
নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশের সকল মুক্তিযোদ্ধার
কবর একই ডিজাইনের করা হবে। স্মৃতি স্তম্ভ এবং বদ্ধ ভুমিগুলো সংরক্ষন করে সেগুলো একই ডিজাইনের হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের দুইটি নয়, আরো তিনটি বোনাস দেওয়া হবে। স্বাধীনতা, বিজয় দিবস এবং বৈশাখী ভাতা দেওয়ার উদ্যেগ নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেছেন, দেশের প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার ১০মিনিট করে বক্তব্য রেকর্ড করে সংরক্ষন করা হবে। আর সংরক্ষন করবে আইসিটি মন্ত্রণালয়। এছাড়া বিসিএসএ মুক্তিযুদ্ধের ওপর ৫০নম্বর সহ মোট ১০০নম্বর করা হবে। আর আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে করে স্বাধীনতা বিরোধিরা দেশের পতাকাকে আকড়ে ধরতে না পারে।
বৃহস্পতিবার সিংড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলন।
অনুস্ঠানে প্রধান বক্তা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের সম্পদ, তাদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আজ স্বাধিন বাংলাদেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নত দেশের কাতারে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বঙ্গবন্ধু শোষিত মানুষের কন্ঠস্বর ছিলেন। তিনি মানবতার পক্ষে নিপীড়িত মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।
সিংড়া গোলই আফরোজ সরকারী কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ ওহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী পলক আরো বলেন, ২১ টি বছর অর্থাৎ দুটি প্রজন্মকে দুরে রাখা হয়েছিলো, মুক্তিযুদ্ধেরর ইতিহাসকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছিলো।
৭ ই মার্চের ভাষন বিশ্বের ইতিহাস। ৭৫ এ বহু নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচন এলেই মিথ্যা বলে জনগনকে বিভ্রান্ত করা হয়। ৩৭ বছরে আমরা পিছিয়ে ছিলাম, এখন সিংড়া উন্নয়নের স্বাক্ষর। অবহেলিত চলনবিলে আজ শান্তির সুবাতাস বইছে। এখন আর চলনবিলের কৃষকদের সারের জন্য জীবন দিতে হয় না। বিগত নয় বছরে ৩৭ বছরের চেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। চলনবিলের পা ফাটা কৃষকের  সন্তানরা পান্তা খেয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সন্তানরা আগে পরিচয় দিতে পারেননি। তাদের বিএনপি সরকার নির্যাতন করেছে।
এর আগে মন্ত্রী সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে চারতলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো: জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ কুমার সরকার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুবাস কুমার সাহা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল অদুদ দুদু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
স/অ
Print