জাতীয়

সরবরাহ সচল রাখতে দ্রুত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক১২ এপ্রিল ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ সচল রাখতে দ্রুত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় এবং সরবরাহ চেইনের জটিলতা দেশের আমদানি ব্যয়ে প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো আমরা শুনেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকে।’
ভোজ্যতেলকে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পণ্য হিসেবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এর দাম বাড়লে সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপ পড়ে। এ কারণে সরকার নিয়মিত ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছে এবং সরবরাহ, আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তবে সর্বশেষ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
ভোক্তা স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের টিকে থাকার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেল আমদানি ও বাজারজাত করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন। কোনো ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়ে বাজার থেকে সরে গেলে তা দেশের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

’
এ সময় ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্পর্শকাতর সময়। বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়বে। তাই সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।’

সরকার ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ‘স্বস্তিদায়ক’ পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাজারের চাপ এবং সরবরাহ চেইনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা একটি বাস্তবসম্মত ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।