স্বজন হারানোর শোক নিয়ে খেলায় মনদীপ-রানার প্রশংসায় শচীন

মনদীপ সিংয়ের মনের ভেতর কী হচ্ছে, ভালোভাবে টের পাচ্ছেন ভারতের সাবেক ব্যাটিং গ্রেট শচীন টেন্ডুলকার। শুক্রবার মারা গেছেন মনদীপের বাবা। বারা হারনোর যন্ত্রণা নিয়ে রোববার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ব্যাটসম্যান। স্বজন হারিয়ে একই দিন ম্যাচ খেলেছেন আরেক খেলোয়াড় নিতিশ রানা। শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই ব্যাটসম্যানের শ্বশুর মারা গেছেন। মনের ভেতর কষ্ট নিয়ে মাঠে নামায় তাদের প্রশংসা করলেন শচীন।

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ চলার সময় বাবা হারান শচীন। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে ফের খেলার জন্য ইংল্যান্ডে দলের সঙ্গে যোগ দেন। কেনিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে তা বাবাকে উৎসর্গ করেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। বাবাকে শেষ বিদায় বলার ভাগ্য শচীনের হলেও হয়নি মনদীপের। তবে তার বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পাঞ্জাব দলের সবাই কালো আর্মব্র্যান্ড পরেছিলেন। এই ম্যাচে হায়দরাবাদের বিপক্ষে ১৭ রান করেন মনদীপ। তার দল জিতেছে ১২ রানে।

আর শ্বশুর হারানো রানা আবুধাবিতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি হাঁকান। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর এই ব্যাটসম্যান কলকাতার একটি বিশেষ জার্সি তুলে ধরেন, যার পেছনে লেখা ছিল তার শ্বশুর সুরিন্দরের নাম। প্রতিপক্ষকে ১৯৫ রানের টার্গেট দিয়ে ৫৯ রানে জিতেছে তার দল কলকাতাও।

দুই খেলোয়াড়ের মনোবল দেখে মুগ্ধ শচীন। স্বজন হারানোর শোক নিয়ে খেলার জন্য মনদীপ ও রানার প্রশংসা করে টুইট করেছেন তিনি, ‘প্রিয়জনকে হারানো অনেক কষ্টদায়ক। কিন্তু আরও বেশি কষ্টের ব্যাপার হলো যখন কেউ শেষ বিদায়টাও দিতে পারে না। মনদীপ ও নিতিশ রানা এবং তাদের পরিবারের এই শোক কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রার্থনা করি। আজ তোমরা খেলায় অভিনন্দন। ভালো খেলেছো।’

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।