রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী মন্দার আশঙ্কা

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিতর্কিত একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছু সাম্প্রতিক মন্তব্য এখন শুধু তাঁর নিজ দেশে নয়, বিশ্বব্যাপী তুমুল আলোচনার সূত্রপাত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুনভাবে মাঠে নামা ট্রাম্প বলেছেন, তাঁর এক টার্মের শাসনামলে তিনি দেশের অর্থনীতিতে আশাতীত উৎকর্ষ সাধন করেছিলেন। চীনের বিপরীতে বিশ্ববাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ছিল অত্যন্ত চাঙ্গাভাব। চীনের সঙ্গে তিনি এক বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করলেও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত কোনো উত্তেজনা কিংবা সংকট সৃষ্টি করেননি।

তাইওয়ানের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা বজায় রাখতে গিয়ে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহি কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেননি। তা ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরকে কেন্দ্র করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কোনো বিভাজন কিংবা স্থায়ী বিরোধের জন্ম দেননি, যা যুদ্ধবিগ্রহের হুমকি-ধমকির সূচনা করতে পারে। তিনি বলেছেন, তাঁর শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল অত্যন্ত সহনশীল এবং কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য তিনি মূলত বর্তমান ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেই দায়ী করেছেন।

এ কথা অনস্বীকার্য যে রিপাবলিকান দলীয় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ডেমোক্রেটিক দলীয় বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন উভয়েই পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ধারক-বাহক এবং অন্যতম প্রধান প্রতিভূ। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান পরাশক্তি হিসেবে ধরে রাখার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন বর্তমান বিশ্বব্যবস্থাকেই ভেঙে দিতে তৎপর হয়েছেন। একদিকে চীন, রাশিয়া, ইরানসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয়ের বাইরের কিছু রাষ্ট্র; অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশ কিছু রাষ্ট্র। এই সমীকরণে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বকে প্রধানত দুটি শিবিরে বিভক্ত করতে চেয়েছিল। এবং এর সবই বিশ্ব অর্থনীতি, রাজনীতি ও সামরিক শক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্য বা আধিপত্য ধরে রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। অতীতের শীতল যুদ্ধের ধ্যান-ধারণায় বিশ্বের এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা কিংবা ক্ষমতার বলয়কে দ্বিকেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিতে এক সুস্পষ্ট কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন প্রাজ্ঞ-প্রবীণ রাজনীতিক জো বাইডেন। কিন্তু সেই পথে দৃশ্যত সূচনায়ই বিরাট বাধার সৃষ্টি করেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হয়েও তুরস্ক এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কোয়াডের সদস্য হয়েও ভারত। তারা উভয়েই পশ্চিমা জোট কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবাধীন হয়েও রাশিয়া থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কিংবা রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রচুর জ্বালানি কিনছে। এতে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, তারা তাদের জাতীয় স্বার্থে কোনো প্রভাববলয়েই স্থায়ীভাবে নিজেদের আবদ্ধ করতে চাচ্ছে না। এতে পরিষ্কারভাবেই আরেকটি মধ্যবর্তী প্রভাববলয় সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরপেক্ষ বলে ধরে নেওয়া যায়।

ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর বহু আগেই এমন একটি অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন, যা উল্লিখিত দুটি প্রভাববলয়ের বাইরে। এটি নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উৎপাদন ও বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থভিত্তিক একটি নিরপেক্ষ অবস্থান বা বলয়, যাকে কেউ কেউ ‘জয়শঙ্কর ডকট্রিন’ বলে উল্লেখ করেছেন। পৃথিবী যদি শেষ পর্যন্ত দুটি নির্দিষ্ট বলয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে এরা, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলো, তাদের জাতীয় স্বার্থে উভয় বলয়ের সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সাফল্য অনেকখানিই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কিংবা বিধি-নিষেধের ওপর।

পঞ্চাশের দশকে কোরিয়া যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থাৎ শীতল যুদ্ধের সূচনা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তখন চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মিসর ও যুগোস্লাভিয়ার নেতারা তাঁদের জাতীয় উন্নয়ন ও বাণিজ্যের স্বার্থে একটি জোটনিরপেক্ষ বলয় গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তখন এখনকার মতো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কিংবা বিধি-নিষেধের বাধ্যবাধকতা ছিল না। সেই বিধি-নিষেধ এখন অর্থনৈতিক গণ্ডি পেরিয়ে সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর্যায়ে চলে গেছে, যা নিয়ন্ত্রিত হয় সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে। এদের দৃষ্টিভঙ্গি পঞ্চাশের দশক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরাক ও আফগানিস্তান আক্রমণের পর তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ বিশ্বব্যাপী একটি সন্ত্রাসবিরোধী জোট গঠন করে তাতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করতে সবাইকে আহ্বান করেছিলেন। বলেছিলেন, যারা এতে যোগ দেবে না, আমরা ধরে নেব তারা আমাদের বিরুদ্ধশক্তি। বিভিন্ন ব্যাপারে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার আধিপত্য বা সাম্রাজ্যবাদী কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নয়। তবে যতই দিন যাচ্ছে, তা এখন আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে বলে তথ্যাভিজ্ঞমহলের ধারণা।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ৪৬তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে তার সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়া থেকে সমরাস্ত্র কিংবা জ্বালানি কেনার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার তথাকথিত মিত্রদের নিষেধ করেছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে সেই নিষেধাজ্ঞা কিংবা বিধি-নিষেধের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। সেটি জানা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি কিনছে। জ্বালানি কেনা অব্যাহত রেখেছে চীনসহ আরো কেউ কেউ। আসন্ন শীতের প্রচণ্ডতার মধ্যে জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশির ভাগ সদস্য যদি রাশিয়া থেকে আবার জ্বালানি কিনতে বাধ্য হয়, তখন কোথায় থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা। সেই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তার কার্যকারিতা হারাবে। শুধু তা-ই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়াবাড়ির কারণে ইইউ সদস্যদের রাশিয়ার মুদ্রা রুবলে জ্বালানি কিনতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তা ছাড়া ডলারের একতরফা আধিপত্যকে পাশ কাটিয়ে চীনের মুদ্রা ইউয়ান (রেনমিনবি) বিশ্ববাণিজ্যে মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে শিগগিরই প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তা ছাড়া ব্রিকস সদস্যদের মধ্যে নিজ নিজ মুদ্রায় লেনদেন করার বিষয়টিও সর্বোচ্চ বিবেচনা লাভ করেছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের ইতি না টেনে বরং যুক্তরাষ্ট্র তার সাম্রাজ্যবাদী অভীপ্সা বাস্তবায়িত করতে গিয়ে বর্তমান একপক্ষীয় বিশ্বকে বহুপক্ষীয় শিবিরে বিভক্ত করার প্রয়াস পেয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষ-পরবর্তী বিশ্ব প্রেসিডেন্ট বাইডেনের একগুঁয়েমির কারণেই বহু শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়বে বলে তথ্যাভিজ্ঞমহলের বিশ্বাস। ক্ষয়িষ্ণু কিংবা পড়ন্ত পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র কোনোমতেই তা ধরে রাখতে পারবে না বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বরং ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণগ্রস্ত মার্কিন অর্থনীতি বর্তমান মন্দার কারণে আরো শোচনীয় পর্যায়ে চলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্ববাণিজ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে একমাত্র মুদ্রা ডলার তার একাধিপত্য হারাবে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নোবেলজয়ী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিজ বহু আগেই এ অশনিসংকেত ব্যক্ত করেছিলেন, যেকোনো সমাজেরই দায়িত্ব হলো একটি নির্দিষ্ট ধরনের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা, যা মানুষের জীবনকে উন্নয়ন বা উন্নতির পথে রূপান্তর করতে পারে। সেটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অর্থনীতির উন্নতি নয়, জনগণের অবস্থার উন্নয়ন। সে ক্ষেত্রে এ কেলসিয়ান অর্থনীতিবিদ একচেটিয়া পুঁজির বিকাশ ঘটাতে গিয়ে বৃহত্তর সমাজে মানুষকে শোষণ-বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা করার সাবধান বাণী উচ্চারণ করেছেন। কারণ মানুষের অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে কোনো অর্থনীতিই অর্থবহ কিংবা টেকসই হবে না। এতে একটি বিশেষ সুবিধাভোগী শোষক শ্রেণি গড়ে উঠবে, যাদের আধিপত্য কোনোমতেই দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সেই বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে বিশ্বের এক নম্বর অবস্থানে ধরে রাখার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন বর্তমানে যে চরম সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থা নিয়েছেন, তাতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিই নয়, বিশ্বমন্দার প্রকোপে বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে, বিপর্যস্ত হবে বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের অবস্থা।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন ঠেকানোর কোনো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কিকে দীর্ঘস্থায়ী সংঘর্ষ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র ও অর্থ সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে যাচ্ছে। পাশাপাশি জারি রেখেছে বিভিন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। এতে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের অবস্থা আরো শোচনীয় হবে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে আরো অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও দুর্গতির শিকারে পরিণত হবে। এতে বাঁচবে না ইউরোপ ও আমেরিকার সাধারণ মানুষও। ইউরোপ এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ও তার ধারাবাহিকতায় মন্দাভাব সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফলে উন্নয়নশীল এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মানুষ খুব তাড়াতাড়িই বাইডেনের বর্তমান একচোখা নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে। শেষ পর্যন্ত মানবে না বাইডেনের ঘোষিত কোনো বিধি-নিষেধ।

ইউরোপব্যাপী মানুষ অপেক্ষায় রয়েছে আসন্ন শীত মৌসুমের। শীত যত তীব্র হবে, জ্বালানির অভাবে উৎপাদন ও মানুষের ভোগান্তি ততই তীব্রতর হবে। বাড়বে অর্থনৈতিক সংকট। সেই অবস্থায় এশিয়া কিংবা ইউরোপ; সর্বত্রই বাড়বে বিক্ষোভ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি বলেছেন, একজন মানুষ (নেতা) কিংবা একটি দেশকে শাস্তি দিতে গিয়ে সারা বিশ্বকে এখন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থার পেছনে যত সাম্রাজ্যবাদী নীলনকশাই থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হবে না। বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাধ্য হবে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ সাম্রাজ্যবাদী নেতা জো বাইডেন ও তাঁর ডেমোক্রেটিক দল সেই নির্বাচনেই পেতে পারে চরম আঘাত। সেই আঘাতে কংগ্রেসে আইন পাস করার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ফেলতে পারেন বাইডেন। এবং সেটাই হতে পারে তাঁর পরাজয়ের প্রধান ঘণ্টাধ্বনি।

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক
[email protected]

 

সুত্রঃ কালের কণ্ঠ