রাজশাহীতে মা-মেয়েকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহীতে প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মা-মেয়েকে মাদকের মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী আশা খাতুন (২৮) আজ রোববার সকালে রাজশাহী নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন।

আশার মা মাবিয়া খাতুন (৪৮) গত ২৩ অক্টোবর থেকে জেলহাজতে। নগরীর আসাম কলোনিতে তাদের বাড়ি।

সংবাদ সম্মেলনে আশা বলেন, তাকেও মাদকের মামলায় পলাতক আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। পুলিশের দেয়া মামলার কারণে তিনি বাড়িতে থাকতে পারছেন না, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তার মায়ের নামে দেয়া মাদকের মিথ্যা মামলা নিয়ে তিনি যেন প্রতিবাদ করতে না পারেন সে জন্য তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে বলে মনে করেন আশা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২২ অক্টোবর রাতে নগরীর চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তাদের বাড়ি যায়। সে রাতে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। নওগাঁয় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। পুলিশ বাড়ি থেকে তার মাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করা হয়। তাদের বাড়ি থেকে ৯৫ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আশা বলেন, তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। এলাকায় সম্মানের সাথেই বসবাস করেন। পুলিশ প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের ফাঁসিয়েছেন।

আশার বক্তব্য- তারা এক কাঠা জমিতে বাড়ি করে বসবাস করেন। প্রতিবেশি প্রভাবশালী এক ব্যক্তি জমিটি তাদের কাছে বিক্রি করে দিতে বলেছিলেন। তারা রাজি হননি। এর পর থেকেই ওই পরিবারটি তাদের নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতার মাধ্যমে পুলিশকে প্রভাবিত করে তার মাকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মামলা দেয়া হয়েছে। হেনস্থা করতে তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুম মুনীর। তিনি দাবি করেন, পরিবারটি মাদকের ব্যবসায় জড়িত। বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় হেরোইন পাওয়া গেছে। তাই মামলা করা হয়েছে। পুলিশ কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়নি বলেও দাবি করেন ওসি।

স/অ

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।