রাজশাহীতে মজাদার হিমায়িত খাবারের স্বাদ নিয়ে এসেছে ফ্রোজেন লাভার

নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্যস্ত জীবন। অফিস, বাসা, বাজার করা। তার ওপর আবার রান্না করা। অনেক সময় চুলায় গ্যাসের চাপ থাকে না। অনেকে হিমায়িত খাবার দিয়ে কিছুটা সময় সাশ্রয়ের চেষ্টা করেন।শুধু তেলে ভেজে নিলেই খুব সহজেই পরিবেশন করা যায়। কেননা হিমায়িত খাবার প্রায় তৈরি করাই থাকে, ঝামেলা কম, দ্রুত হয় আর সময়ও বাঁচে। খেতেও মন্দ নয়। ফলে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে হিমায়িত খাবার বা তৈরি খাবার।

এছাড়া মশলা ও নানারকম উপকরণ দিয়ে হিমায়িত খাবার মজাদার স্বাদে তৈরি করা হয় বলে শিশু-কিশোরদের কাছে এর চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।

কর্মব্যস্ত জীবনে লম্বা সময় ব্যয় না করে এবং সকাল-বিকেলের নাশতা কিংবা নিত্য রান্না তৈরির ঝামেলা থেকে বাঁচতে রাজশাহীতে হিমায়িত খাবার নিয়ে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফ্রোজেন লাভার।রাজশাহীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও  ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এসব খাবার বাজারজাত করছে ফ্রোজেন লাভার।খাবারের চাহিদাও বাড়ছে অনেক।

ব্যাংকার জেসমিন আরা পারভিন সকাল-সন্ধ্যা অফিস করে সময় মেনে রান্না করতে ভালো লাগে না। এ ছাড়া অতিথি সামলানো তো আছেই। তিনি বলেন, ‘চারদিক সামলানো এখন কঠিন। আর হাতের কাছেই ফ্রোজেন ফুড পাচ্ছি। বাচ্চারাও পছন্দ করে। আমি বানালে নাকি ফ্রোজেন লাভারের মতো হয় না। তাই আমি নিয়মিত ফ্রোজেন লাভার থেকে হিমায়িত খাবার অর্ডার করে থাকি।তাদের খাবারের স্বাদ ও ব্যবহার অনেক ভালো এছাড়া দামটাও কম।

ফ্রোজেন লাভারের  তরুন উদোক্তা শারমিন তৌফিক বলেন,সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহের দিকে ক্রমেই মনোযোগী হচ্ছে ফ্রোজেন লাভার। প্রথমে অল্প পরিসরে বাসায় ফ্রোজেন ফুড বানানো শুরু করি তারপর, কিছুদিন যেতে ক্রেতাদের চাহিদা ও ভালোবাসায় মনে হয় রাজশাহীতে এমন কিছু হলে মন্দ হয়না। তাই আমি ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে সেই প্রথম দিন থেকে এখনও খাবারের মান ঠিক রেখে বেশ ভালোই চালাচ্ছি প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি আরো জানান, প্রতিদিন আমার কাছে ২৫-৩০ জন লোক ফ্রোজেন ফুড অর্ডার করে থাকে। যে ফ্রোজেন খাবার গুলো দেয়া হয় তা খুব মানসম্মত। তাই মানুষের চাহিদাও থাকে ব্যাপক। আর দাম টাও খুব কমের মধ্যে থাকায় সাচ্ছন্দ বোধে করেন সাধারন মানুষ বলেও তিনি জানান।

এছাড়া এখানে হিমায়িত খাবার তৈরির পরেই মাইনাস তাপমাত্রায় রাখা হয়। যাতে করে খাবারের মান ঠিক থাকে। হিমায়িত খাদ্য তৈরিতে ভালো মানের ময়দা ব্যবহার করে থাকি। অন্যদিকে সবজিও আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র বাজারের বাছায় করা গুলো ব্যবহার করে থাকি।

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।