রাজশাহীতে দাম কমেছে সবজির, বেড়েছে মাছের

  • 19
    Shares

আমিনুল ইসলাম : রাজশাহীতে সরবরাহ বাড়ায় শীতের সবজি মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুনের দাম আরো কমেছে। এ নিয়ে টানা দুই সপ্তাহ শীতের সবজির দাম কমলো।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, সবজির সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি গত কয়েক দিন শীতের তীব্রতা বাড়ায় বাজারগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা কমেছে। সবজি আগের মতো থাকলেও বিক্রি হচ্ছে কম। ফলে নষ্ট হচ্ছে অনেক সবজি।

অন্যদিকে কার্প জাতীয় মাছের দাম আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।  শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর ) রাজশাহীর সাহেববাজার, মাস্টাপাড়া কাচাঁ বাজার, নিউমার্কেট কাচাঁ, নওদাপাড়া কাঁচা বাজার, এবং বহোরমপুর কাঁচা বাজারসহ ‍বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে ।

রাজশাহীর মহানগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, বাজারে এখন প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়। শুরুতে শীতকালীন এই সবজির দাম বেশি থাকলেও এখন ক্রেতাদের তেমন একটা চাহিদা নেই।
এ ছাড়া বাঁধাকপি ১৫ থেকে ২০, লাউ ২০ থেকে ২৫ টাকা, প্রতি কেজি শিম ২৫ টাকা, মুলা ৮, ঝিঙে ৩০ টাকা, বেগুন ১৫ থেকে ২০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, কচুরমুখী ৩০ টাকা ।

নতুন আলু ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে , পুরনো আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা করলা, ৪০টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ৩৫ টাকা, লালশাক ১০ টাকা পালনশাক ১৫ টাকা,কলমি শাক ১৫, টাকা,ঝিঙা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০টাকা ঢেঁড়শ ২৫টাকা , গাজর ৪০ টাকা,শশা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।

নগরীর বহরোম বাজারের কাঁচামাল বিক্রেতা কামরুল সিল্কসিটি নিউজকে জানান, বাজারে কোনো সবজির কমতি নেই। সরবরাহ এত পরিমাণ বেড়েছে যে, ক্রেতার সংখ্যা সেই তুলনায় বাজারে নেই। ফলে অনেক সময় সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মাস্টার কাঁচা বাজারের অপর বিক্রেতা আরিফ বলেন, নতুন আলু বাজারে আসায় ক্রেতারা সে দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, বেগুন,লাউয়ের দিকে এখন আর কারও তেমন একটা নজর নেই।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলোর মধ্যে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসায় কিছুটা কমেছে পেঁয়াজ এর দাম। পুরনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, নতুন পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।

কাঁচা মসলার বাজারে প্রতি কেজি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আদা ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল ৪০ টাকা, মসুর ডাল বিক্রি মোটা ৭০ দেশি ১১০ টাকা, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকা কেজি দরে।

মুদি বাজারে খোলা ও লিটার তেলের দাম বেড়েছ কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা। আর সয়াবিন তেল খোলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আর প্যাকেট ও বোতল জাত তেল ১০৫ থেকে ১১০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ডিমের দাম গত সপ্তাহের মতই আছে। ডিম সাদাটা ২৭ হালি লাল ৩৩ থেকে ৩৪ বিক্রি হচ্ছে ।
চাল দাম বেড়েছে কেজিতে তিন থেকে চার টাকা আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, পায়জাম ৬০-৬৩ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা, নাজির ৬০ টাকা। জিরাসাল ৫৪ কাটারিভোগ সিদ্ধ ৭৫ টাকা, কাজল লতা ৬০ টাকা, মোটা আতপ ৫৫-৫৮ পোলা-আতপ ও কালোজিরা চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।

স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের দাম আর কেজি প্রতি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়, ছাগলের মাংস ৬০০ টাকায় ও গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫৪০ টাকায়। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, সোনালী মুরগি ১৭০ টাকায় ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে কার্প ও দেশি জাতের মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে। সাহেব বাজারে মাছ ব্যবসায়ী শামিম সিল্কসিটি কে জানান গত দুই তিন হলো কার্প জাতীয় মাছ গুলো সরবরাহ কম থাকায় কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে ।সাহেব বাজারে মাছ কিনতে আসা ফরিদ জানান, বাজারে আজ মাছের দাম কিছুটা বাড়তি। বিশেষ করে কার্প জাতীয় মাছের দাম বেশি ।

সিলভার ১০০ থেকে ২১০ টাকা কেজি, রুই ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা , কাতল ২০০ থেকে ৩৩০ টাকা,তেলাপিয়া ১১৫ টাকা, চাষের পাঙ্গাশ ১০০ টাকা, পুটি ১৮০ থেকে ২০০, শিং ৪০০, টাকী ২৬০, টেংরা ৪০০ টাকা মলা ৩০০ খেকে ৩৮০ , বোয়াল ৪৫০ থেকে ৯০০ টাকা, চিতল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, নদীর পাঙ্গাশ এক হাজার টাকা, শোল ২৫০ টাকা, বাঘাইড় ৭৫০ থেকে ৯৬০ টাকা, দেশি জাতের কই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা , ইলিশ ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।