রবিবার , ২ এপ্রিল ২০২৩ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্নীতি
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. চাকরীর খবর
  9. ছবিঘর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. ধর্ম
  14. নারী
  15. নির্বাচিত খবর

যৌতুকের কারণে মৃত্যু: মৃত্যুদণ্ডের বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ২, ২০২৩ ৯:২৪ অপরাহ্ণ

সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক :
একটি সংগঠনের করা রিটের প্রাথমিক শুনানির শেষে রোববার (২ এপ্রিল) বিচারপতি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারা কেন অবৈধ, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, অসঙ্গতিপূর্ণ ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বলা আছে, যৌতুকের কারণে মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

রিটকারী ইকুইটি রাইটস অ্যান্ড গভর্নেন্স ট্রাস্টের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মনজুর আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

পরে শাহদীন মালিক বলেন, অসাংবিধানিক বলার মূল যুক্তি ছিল ১১(ক) ধারা অনুসারে যৌতুকের জন্য কোনো মৃত্যু ঘটলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। যখন কোনো অপরাধের একটা শাস্তি থাকে, একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড তখন সেটা ধরে নেওয়া হয় ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। বিচারক অপরাধী সাব্যস্ত করে কাউকে যাবজ্জীবন দিতে পারে, মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে। তার এই ক্ষমতা যদি কেড়ে নেওয়া হয়, দোষী হলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে এটা অসাংবিধানিক।

রিটে বলা হয়, সংবিধানের ২৬, ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) অসঙ্গতিপূর্ণ। শুধু তাই না, এই ধারাটি আমাদের স্বাধীন বিচার বিভাগের মৌলিক কাঠামোর জন্যও ক্ষতিকর। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হলো সংবিধানের অন্যতম মৌলিক স্তম্ভ এবং কাঠামো। স্বাধীন বিচার বিভাগে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে একজন বিচারকের বিচক্ষণতা হচ্ছে মৌলিক বৈশিষ্ট্য। আইনের এ ধারাটির মাধ্যমে বিচার বিভাগ ও বিচারকের স্বাধীনতা, বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

তাছাড়া সংবিধানের ৯৪(৪) অনুচ্ছেদে বিচারকার্য পরিচালনায় বিচারককে স্বাধীন থাকার নিশ্চয়তা দেওয়া হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(ক) ধারায় যৌতুকের কারণে মৃত্যুর জন্য মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে দেওয়ায় বিচারকের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে।

সর্বশেষ - রাজশাহীর খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

পুঠিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

রাসিকের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এলজিআরডি মন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা

নাটোরে সিএনজি উল্টে কাপড় ব্যবসায়ী নিহত, আহত তিন

ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ১৫ শিক্ষকের নির্বাচনী প্রচারনা চলছেই

শ্রীলংকায় হামলা: নিখোঁজদের দু’জনই আ.লীগ নেতার জামাতা ও নাতনী

মোহাম্মদ নবীকে আইসিসির তিরস্কার

রাসিকের উদ্যোগে অটোরিক্সার পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার তালিকা চালকদের মাঝে বিতরণ

বাগাতিপাড়ায় জলাতঙ্ক নির্মূলের টিকায় মারা যাচ্ছে কুকুর

নন-ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এমডি নিয়োগ হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারিশে 

কুড়িগ্রামে বন্যায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি, কিশোরীর মৃত্যু