মঙ্গলবার , ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্নীতি
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি
  7. খেলা
  8. চাকরীর খবর
  9. ছবিঘর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. ধর্ম
  14. নারী
  15. নির্বাচিত খবর

‘যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং বিমান কিনতে চায় বাংলাদেশ’

নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ১০:১৩ অপরাহ্ণ

সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক :

আমেরিকা কম খরচে বোয়িং বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশও কিছু বোয়িং কিনতে আগ্রহী। এখন আমেরিকার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বোয়িং কেনার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বেঁচাকেনার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।

আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন নেই দাবি করে মোমেন বলেন, আমেরিকা বন্ধু বলেই আমাদের পরামর্শ দেয়। ভালো হলে গ্রহণ করি, অবাস্তব হলে তা আমলে নেওয়া সম্ভব হয় না। আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক এখনো অনেক ভালো। এ সম্পর্ক উন্নত করতে চায় ঢাকা–ওয়াশিংটন।

সম্প্রতি ইউরোপ ভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করেছে বিমান। এয়ারবাসের সঙ্গে এ নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারকেও সই হয়েছে। এরপরই মূলত বাংলাদেশের কাছে আরও উড়োজাহাজ বিক্রি করতে তৎপরতা শুরু করে বোয়িং।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য এর আগেও বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কিনেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিমানের বহরে যে ২১টি উড়োজাহাজ আছে, তার মধ্যে ১৬টিই বোয়িংয়ের তৈরি।

মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নাগরিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিশ্বের ছয়টি সংগঠন, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মোমেন বলেন, আমরা কোনো বিরোধী দলকে হয়রানি করছি না, নির্যাতন করছি না। আমরা যারা সন্ত্রাসী, যারা মানুষের বাড়ি-ঘর জ্বালায়, জনগণের সম্পত্তি; বিশেষ করে, বাস, ট্রেন, ট্রাক জ্বালায়। যারা মানুষকে মারছে তাদের আমরা শাস্তির আওতায় নিচ্ছি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যখন প্রত্যাবাসনের পাইলট প্রকল্প শুরুর আলোচনা হচ্ছিল তখন বিদেশি কেউ কেউ বাধা দেয়। মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতির অবনিত হওয়ায় এখন রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় ধীরগতি চলে এসেছে।

সর্বশেষ - রাজশাহীর খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত