মোহনপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা

  • 8
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের খয়রা মাটিকাটা গ্রামে প্রকাশ্যেই এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত বৃদ্ধের নাম কোব্বাস আলী (৬০)। তিনি ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।

মৌগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-আমিন বিশ্বাস এ তথ্য জানান, স্থানীয় মসজিদ থেকে কয়েকদিন আগে ২০ কেজি ধান চুরি হয়। এরপর গ্রামবাসী নিশ্চিত হন যে, নিহত কোব্বাস আলীর ভাগ্নে সাদ্দাম হোসেন (২০) ধানগুলো চুরি করেছেন। এ নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি কোব্বাস আলীকে নিয়ে সালিশে বিষয়টির মিমাংসা করেন। কিন্তু মুসল্লিরা তা মেনে নেননি। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল।

ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার রাত ৮টার দিকে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে নিহত কোব্বাস আলীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোব্বাস আলীর বুকে কোপ দিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলা হয়। এ ঘটনায় নিহত কোব্বাস আলীর দুই ছেলেও আহত হন। সংঘর্ষে মুসল্লিদের পক্ষেরও চার-পাঁচজন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোব্বাস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। এই নিয়ে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এঘটনার আর যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে গুরুতর আহত কয়েকজনকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলেও জানান পুলিশে এই কর্মকর্তা।

এএইচ/এস

 

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।