মাদরাসার মাঠে পশুর হাট, ইজারাদার অধ্যক্ষ নিজেই

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:


নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ইছাখালী ফাযিল ডিগ্রী মাদরাসায় বসেছে পশুর হাট। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাঠে কোরবানীর পশুর হাট না বসানোর সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। মাদরাসার অধ্যক্ষ আ ক ম রেজাউল করিম  ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪০০ টাকার বিনিময়ে অস্থায়ী এই পশুর হাটের ইজারা নিয়েছেন। জেনে শুনে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার উদ্যোগ নেয়ায় স্থানীয়ভাবে সমালোচিত অধ্যক্ষ।

করোনার কারনে জনসাধারণের সুবিধার্থে পলাশ উপজেলায় দুইটি  অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমতি দেয় প্রশাসন। শর্ত অনুযায়ী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা এলজিইডি সড়কের পাশে পশুর হাট বসানো যাবে না। ফলে একদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য হচ্ছে অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের মাঠ নষ্টসহ পশুর মলমূত্রে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।

জানা গেছে, অন্যান্য বছর ৫ থেকে ৭টি অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি  পেলেও  করোনার কারনে এ বছর মাএ দুটি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেয় প্রশাসন।

পলাশ উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার দুইটি পশুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একটি ডাংগা ইউনিয়নের ডাংগা বাজার অপরটি গজারিয়া ইউনিয়নে তালতলী বাজার।

মাদরাসা মাঠে পশুর হাটের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ আ ক ম রেজাউল করিম বলেন,  গত বছরও বাজার আমার নামেই ইজারা ছিল এবং বিগত দিনগুলো থেকে মাদরাসা মাঠেই বাজার বসতো। সেই সূত্রধরে এবারও বাজার আমার নামেই বসেছে এবং মাদরাসা মাঠে বসানো হয়েছে।

পলাশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম ফজলুল হক জানান, দেশের আইন অনুযায়ী বিদ্যালয় মাঠে পশুর হাট বসা নিষিদ্ধ।

দৈনিক শিক্ষা

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।