শনিবার , ৬ জুলাই ২০২৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’ পেলেন যারা

Paris
জুলাই ৬, ২০২৪ ৮:০০ অপরাহ্ণ

শিল্প ও সাহিত্য ডেস্ক:
বাংলা সাহিত্যের প্রসার ও লেখকদের অনুপ্রাণিত করার জন্য গত এক যুগ ধরে লেখক ও সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিয়ে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক ও দৈনিক সমকাল।

১২তম সাহিত্যে পুরস্কার আসরে ভাষাসৈনিক, লেখক ও গবেষক আহমদ রফিককে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। বেগম আখতার কামাল, ময়ূখ চৌধুরী ও মাহরীন ফেরদৌস জিতে নিয়েছেন ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’ ।

দ্বিতীয়বারের মত এবার দেয়া হলো ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’। আজীবন এ বছর সম্মাননা পেয়েছেন ভাষাসৈনিক, খ্যাতিমান গবেষক ও লেখক আহমদ রফিক।

বেগম আখতার কামাল ‘কবিতার নান্দনিকতা’ গ্রন্থের জন্য প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, ভ্রমণ ও অনুবাদ শ্রেণিতে; ময়ূখ চৌধুরী ‘অনিদ্রার কারুকাজ’ গ্রন্থের জন্য কবিতা ও কথাসাহিত্য শ্রেণিতে এবং মাহরীন ফেরদৌস ‘অরিগামির গোলকধাঁধায়’ গ্রন্থের জন্য ‘তরুণ সাহিত্যিক পুরস্কার’ বিজয়ী হন।

৫ জুলাই ২০২৪ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন ও দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান। দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গও এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা; ‘প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, ভ্রমণ ও অনুবাদ’ ও ‘কবিতা ও কথাসাহিত্য’ এ দুই শ্রেণিতে বিজয়ী প্রত্যেকে পুরস্কার হিসেবে দুই লাখ টাকা করে পান এবং ‘তরুণ সাহিত্যিক পুরস্কার’ বিজয়ী পান এক লাখ টাকা। প্রত্যেক বিজয়ীকে ক্রেস্ট ও সম্মননাপত্রও প্রদান করা হয়।

তিন শ্রেণিতে ৫২৬টি বই জমা পড়েছিল। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কবি আবিদ আনোয়ার, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. ফয়জুল লতিফ চৌধুরী এবং প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক খালিকুজ্জামান ইলিয়াসের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড ২০২২ সালে প্রকাশিত সেরা তিনটি বই নির্বাচন করেন।

সাহিত্য প্রসারের এ উদ্যোগ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, ‘এই পুরস্কার ইতিমধ্যে দেশের সাহিত্য জগতে একটি অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। এই পুরস্কার দেশের লেখক ও সাহিত্যিকদের বিশেষ করে তরুণ লেখকদের অনুপ্রাণিত করছে। আর পাঠকরা পাচ্ছেন রুচিশীল বই পড়ার সুযোগ। দেশের তরুণ উদীয়মান এবং প্রতিভাবান লেখকদের সৃষ্টিশীল কাজের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে এ পুরস্কার। আমরা এই সাহিত্য পুরস্কারের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে গর্বিত।’

সর্বশেষ - শিল্প ও সাহিত্য

...