বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের হলে ওঠার আগে টিকা নিতে হবে, পেছাবে বিসিএস পরীক্ষা

  • 41
    Shares
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক:

মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪ মে থেকে। এর এক সপ্তাহ আগে ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে। তবে হলের ওঠার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।

হল খোলার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থী, আবাসিক হলের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টিকার ব্যবস্থা করা হবে। তবে কারও যদি স্বাস্থ্যগত কারণে টিকা না নেওয়ার মতো অবস্থা থাকে, তাহলে তারা হলে থাকতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান ডা. দীপু মনি।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৪ মের আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কোনো পরীক্ষা হবে না। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ পেছান হবে। করোনার কারণে বয়স অতিক্রম হয়ে যাওয়া কোনো পরীক্ষার্থী যেন এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে ৪৩তম বিসিএসের আবেদন কার্যক্রম চলছে। ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ বিসিএসের আবেদন চলবে। ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ৬ আগস্টে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পিএসসি।

বর্তমানে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল খোলার দাবিতে আন্দোলন করছেন এবং কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে উঠে গেছেন। এ অবস্থায় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, যারা হলে আছেন, তাদের অবিলম্বে হল ত্যাগ করতে হবে। এ ছাড়া কেউ যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বিরোধী কাজ করেন, তবে এর দায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গ্রহণ করবে না।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, হল খোলার আগে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভর্তি পরীক্ষার তারিখও এই নতুন খোলার (বিশ্ববিদ্যালয় খোলার) তারিখের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, তড়িঘড়ি করে ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের করোনার নিয়ন্ত্রণের যে সাফল্য, তা নষ্ট করে দেওয়া যেতে পারে না। সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এসব সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।

স্কুল–কলেজ খোলার বিষয়ে এক প্রশ্নের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। তার আগে করোনা মোকাবিলাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে কবে থেকে ক্লাস শুরু হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’

এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার পরিস্থিতি আছে কি না, তা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। করোনাভাইরাস অতিমারির কারণে প্রায় এক বছর ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।

আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যেই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। আজ দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

সূত্র : আমাদের সময়

 

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।