বিএনপির আমলে দুর্নীতি হলেও বিচার হয়নি: কামাল হোসেন

নিউজ ডেস্ক

বিএনপি আমলে দুর্নীতি হলেও বিচার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর বলেছিলেন ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’, ‘আই মেক পলিটিক্স ডিফিক্যাল্ট ফর পলিটিশিয়ান’। সেই সামরিক স্বৈরশাসনের মধ্যে দিয়ে দুবৃর্ত্তায়নের যাত্রা শুরু হয়। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে তারেক জিয়া হাওয়া ভবন তৈরী করে সমস্ত দুর্নীতিবাজদের প্রশ্রয় দেয় এবং নিজে দুর্নীতির শ্রেষ্ঠ বরপুত্র হয়।

শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে একটি অনলাইনে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স উল্লেখ করে এসএম কামাল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনও গডফাদারকে ছাড় দেবেন না। আমাদের দলের সহযোগী সংগঠনের প্রধানদেরও কিন্তু তিনি অব্যাহতি দিয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু দুদকে মামলাও হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে কোনও অপরাধীকে ছাড় দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, করোনা একটি বৈশ্বিক মরণব্যাধি। সারাবিশ্ব করোনার কারণে থমকে দাঁড়িয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের উন্নত ও প্রভাবশালী দেশগুলো যখন হিমসিম খাচ্ছে তখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এটা মোকাবিলা করছেন। একটি জনবহুল দেশ হয়েও নানামুখি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এই সময়ে স্বাস্থ্যখাতে কিছু মানুষরূপী পশু, যারা এই করোনা মহামারীকে ব্যবহার করে মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, গণমাধ্যমে দেখলাম, মো. সাহেদের উত্থান কোথা থেকে? বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় যে হাওয়া ভবন তৈরী হয়েছিল সাহেদ সেখানইে লালিত-পালিত হয়েছে। এক এগারোর সময় সে তারেক জিয়ার বন্ধু মামুনের সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তবে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাদেরও ব্যর্থতা আছে। কারণ সে কারও না কারও ছত্র-ছায়ায় লালিত-পালিত হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার যখন তার অপকর্ম জানতে পেরেছে, তখনই কিন্তু ব্যবস্থা নিয়েছে। অন্য কেউ কিন্তু তাকে ধরিয়ে দেয়নি।

সাহেদের প্রশ্রয়-দাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু আওয়ামী লীগ নয়, সাহেদের সঙ্গে বিএনপি নেতা, গণমাধ্যমকর্মীসহ অনেকের সাথেই তার ছবি আছে। আসলে ছবিতে তো কিছু প্রমাণ হয় না। তবে কেউ যদি তাকে অবৈধভাবে সুযোগ দিয়ে থাকেন অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেবো। কোন প্রক্রিয়ায় সে দলে আসলো? কে তাকে সুযোগ সুবিধা দিলো?

 

সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।