বাঘায় কুপিয়ে হত্যায় আহত ৮, গ্রেফতার ৫

নিউজ ডেস্ক

বাঘা প্রতিনিধি:


রাজশাহীর বাঘায় হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হৃদয় আহমেদ (২০) নামেক এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরও ৮ জন। ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুরে উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকার এ ঘটনা ঘটে। তবে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাদেক আলী, তার স্ত্রী রুমিয়া, ছেলের স্ত্রী আজমিরা ও কল্পনা, রেখা নামের ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতের ভাই হাফিজুর রহমান বলেন, হৃদয় নিজ বাড়ির মেহগনি গাছের ডাল কাটছিল। এ সময় বাড়ির পাশের সাদেক আলী ওই গাছটি তার জমির ওপর বলে দাবি করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে সাদেক আলী, তার ছেলে সুজন আলী, ফরিদ উদ্দিন, সুরুজ আলী, রকসেদ আলী, শুকুর আলী আফসার আলীসহ ৮/১০ জনের একটি দল হাসুয়া, লোহার রড়, হাতুড়ি, লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।

এতে বাবা দিল মোহাম্মদ দুখু, তার স্ত্রী সাহানা বেগম, ছেলে হৃদয় আহম্মেদ, সাব্বির আহম্মেদ ও মেয়ে সারমিন খাতুন আহত হয়।
তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে হৃদয়ের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ঢাকার একটি হাসাপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মাইক্রোবাস যোগে ঢাকা রওনা পর পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হৃদয়ের মৃত্যুর ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাদেক আলীকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এবং রুমিয়া বেগম, আজমিরা খাতুনও কল্পনা খাতুন, রেখা বেগমকে বাড়ি থেকে আটক করে। এই ঘটনায় নিহত হৃদয়ের বাবা দিল মোহাম্মদ দুখু বাদি হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত করে ওই রাতেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় এনে বৃহস্পতিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হেেয়ছে। এছাড়া আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামীদের আটক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স/আ

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।