বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত বুয়েট শিক্ষার্থীরা

সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত শোকসভার কর্মসূচির বিরোধিতা করেনি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা শুধু ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি পুনরুত্থানের আশঙ্কায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সভা শেষে অডিটোরিয়ামের সামনে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে তারা এ সব কথা বলেন।

তারা বলেছেন, শনিবারের বিক্ষোভ কোনোভাবেই শোক দিবসের অনুষ্ঠানের বিরোধী ছিল না। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত। তাছাড়া ছাত্রলীগের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি। কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর শঙ্কার জায়গা থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকার পরও রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের ব্যানার দেখে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রকল্যাণ পরিচালককে বিষয়টি অবহিত করেন।

তারা বলেন, ‘অতীতে বুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বিরাজমান রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির বলি হয়েছে। যার সর্বশেষ সংযোজন আবরার ফাহাদ। অপরাজনীতির কালো থাবার বলি আর কেউ যেন না হয়- সেই জায়গা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সমবেত হয়।’

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ‘আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আমাদের কর্মসূচি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। এই অপপ্রচার আমাদের ব্যথিত করেছে। আজকে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমাদের গতকালের কর্মসূচি কোনোভাবেই ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠান বিরোধী ছিল না। ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে। তাঁর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমরা সমৃদ্ধিময় সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সদা প্রস্তুত।’

২০১৯ সালে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে আবরার ফাহাদ নিহতের পর থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সূত্র: আমাদের সময়