প্রার্থিতা ফেরাতে ৫৫০ আবেদন ঠেকাতে ১১টি

সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র নিয়ে ৫৬১টি আবেদন জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। এর মধ্যে ৫৫০টি আবেদন পড়েছে প্রার্থিতা ফিরে পেতে। বাকি ১১টি আবেদন জমা পড়ে বৈধ প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ ছিল ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গতকাল শনিবার আপিলের শেষদিনে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি করে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এবার সারাদেশে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ২ হাজার ৭১৬টি। যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়ে ৭৩১টি। বাদ পড়াদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৪২৩ জন, যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।

দলীয় প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৭ জন বাদ পড়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের। জাতীয় পার্টির ৩০ জন এবং তৃণমূল বিএনপির বাদ পড়েছেন ২৪ জন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪ জন, গত নির্বাচনে নৌকা নিয়ে লড়াই করা বিকল্পধারার ২ জনের মনোনয়নপত্রও বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুকে তলব করেছে ইসি। এ বিষয়ে জাহাংগীর আলম বলেন, ‘আগামী ১৫ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় তাকে সশরীরে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।’

আজ রবিবার বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচির অনুমতির বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম দেখভাল করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা সেখান থেকেই গণমাধ্যমকে জানতে হবে।’

আগামী ২৯ ডিসেম্বর হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের বিষয়ে জাহাংগীর আলম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা সংবাপত্রের মাধ্যমে জেনেছি। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করব। তারা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে।’