ছোটবেলা থেকেই শখ, ডিপজলের আছে ৮ হাজার কবুতর

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজল এখন খামারি। অভিনয় জীবনে চরিত্রের প্রয়োজনে নানা পেশা বেছে নেয়া এই খল নায়ক বাস্তব জীবনে এখন পাখির পরিচর্যায় ব্যস্ত। জানালেন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নয়, কেবল শখের বসেই তিনি গড়ে তুলেছেন এমন খামার।

সাভারের রাজফুলবাড়িয়ার এই বাড়িতে ডুকলে প্রথমেই চোখে পড়বে এমন হাজার হাজার কবুতর আর পাখির মেলা। দেখে মনে হতে পারে কোনো পেশাদার পশু-পাখি খামারির বাড়ি। বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজলের বাড়ি এটি।

ঘুরে দেখা মেলে বিভিন্ন দেশের ও জাতের প্রায় ৭-৮ হাজার কবুতর। পাংখি, আর্মি, রাণি, জুটপরি, সাফটিলা, চিলা, খাকি, ন্যাপটাসহ প্রায় ২০ জাতের কবুতরের রয়েছে এখানে। দলবেঁধে থাকা এমন কবুতরের চমৎকার দৃশ্য যে কারো চোখ জুড়াবে।

রয়েছে “রেসার কবুতর” ও। যেগুলো অংশ নেয় বিভিন্ন পায়রা দৌড় প্রতিযোগিতায়। শুধু কবুতর নয় – রয়েছে বিভিন্ন দেশের ও জাতের এমন বাহারি রং এর পাখি। টিয়া, কাকাতুয়া, লরী, কাইশাপাখি, সেনেগাল, বাজিগরসহ অনেক প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির যে কারো চোখ জুড়াবে।

প্রায় সাড়ে তিনশ ছবিতে অভিনয় করা এই অভিনেতা জানান, শখ থেকেই তার এই খামার গড়ে তোলা কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয় ।ডিপজল বলেন, সেই ছোট বেলা থেকেই আমার কবুতর পালনের শখ। আর এই শখ থেকেই কবুতরের খামার গড়ে তোলা। অনেক দামি দামি কবুতর আছে তার এই খামারে উল্লেখ করে ডিপজল আরও বলেন, ৫ লাখ টাকা দামের কবুতর আছে প্রায় ১০০টি। এছাড়াও গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি সবকিছু শখের বসেই পালন করেন বলে জানান তিনি।

 

বাড়ির আঙিনায় চোখে পড়বে একটি বড় গরুর খামারও। রয়েছে বিভিন্ন জাতের গরু যেমন জার্সি, ফ্রিজিয়াম ,ব্রাহামা, সিন্ধি, ভুট্টি। এসব খামার দেখাশুনার জন্য রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনেকেই একসাথে নানা প্রজাতির কবুতর দেখতে এখানে আসেন।

অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক ডিপজলের আরো বেশ কয়েকটি গরুর খামার রয়েছে। তিনি শখের বসে করলেও জানান কেউ চাইলেই কবুতর, পাখি কিংবা গরুর খামার করে সাবলম্বী হতে পারে।

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, silkcitynews@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।