চেয়ারম্যান পদে শক্ত অবস্থানে একমাত্র নারী প্রার্থী তৃপ্তি

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি :


জোর প্রচারণায় একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহনে পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বগুড়ার আদমদীঘির ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। জয় নিশ্চিত করতে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। তবে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে কিছুটা ব্যতিক্রম উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়ন। কারণ এখানে লড়ছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী নাহিদ সুলতানা তৃপ্তি। চেয়ারম্যান পদে এই উপজেলার তিনিই একমাত্র নারী প্রার্থী।

অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা অব্যাহত থাকলেও নাহিদ সুলতানা তৃপ্তি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কাছে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছেন। প্রতিদিন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। সোমবার সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুকে তার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে। একই ইউনিয়নে নৌকার তৃপ্তি ছাড়াও চেয়ারম্যান পদে আরও চারজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন- সান্তাহার ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি (বহিষ্কৃত) রবিউল ইসলাম রবি, বিএনপির মোজাহার হোসেন পিন্টু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুক্তার হোসেন মল্লিক।

নাহিদ সুলতানা তৃপ্তি বলেন, নারীদের সন্মান জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে। নেত্রী যেহেতু আমার ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করার সুযোগ দিয়েছেন, সেহেতু আমি জনগণের বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে আমার নেত্রী এবং দলের সে আস্থা ধরে রাখতে চাই। ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন জানিয়ে তিনি বলেন, নারী হিসেবে নারীদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচিত হলে বিনা পয়সায় বয়স্ক, বিধবা, মাতৃত্বকালীন, প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতার কার্ড প্রদান করা হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম মন্টু বলেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বর্তমান সরকারের অব্যাহত উন্নয়ন অবশ্যই জনগণ মূল্যায়ন করবে। একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী নাহিদ সুলতানা তৃপ্তির জয়ও আমাদের কাছে বাড়তি গুরুত্ব বহন করে।

উল্লেখ্য, আগামী ৫ জানুয়ারী উপজেলার ৬টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে সান্তাহার ইউপিতেই প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে। এই ইউপিতে মোট ভোটার ২১ হাজার ৫৯৫ জন। নারী ভোটার ১০ হাজার ৭৪৮ জন ও পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ৮৪৭ জন। নারী-পুরুষ ভোটারের সংখ্যা প্রায় সমান।