‘কিস্তিতে কেনা ভ্যান, নামাজ পড়ে উঠে দেখি নেই’ কাঁদছেন মঈনুল

এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কেনা ব্যাটারিচালিত ভ্যান কিনেছিলেন মঈনুল ইসলাম। এই ভ্যান দিয়েই চলে তার ৯ সদস্যের পরিবারের খরচ। একমাত্র উপার্যনের সম্পলটি রেখে যান নামাজ পড়তে। নামাজ শেষে ফিরে এসে দেখেন ভ্যানটি চুরি হয়ে গেছে। এর পর থেকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অসহায়ের মতো। কাঁদছেন ফুঁফিয়ে ফুঁফিয়ে।

এমন ঘটনা ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায়। শুক্রবার (৩০ জুলাই) উপজেলার বড়খাতা কেরামতিয়া বড় মসজিদে (ভাঙ্গা মসজিদ) নামাজ পড়াতে গেলে ভ্যানটি চুরি হয় বলে দাবি তার। এ ঘটনায় রবিবার (১ আগস্ট) থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন মাঈনুল ইসলাম। তিনি উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পূর্ব সাড়ডুবি গ্রামের মৃত আ. জলিলের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুম আলী বলেন, মঈনুল খুব গরিব। ভ্যান চালিয়ে তার সংসার চালায়। শুনেছি তার উপার্জনের একমাত্র সম্বল অটোভ্যানটি হারিয়ে গেছে। তাকে সাহায্যের জন্য সমাজের সম্পদশালীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সরাসরি (০১৩১১৯৪৪৬২৯) নম্বরে মাঈনুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন যে কেউ।

ভ্যানচালক মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘ব্র্যাক এনজিও থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে অটো ভ্যানটি কিনছিলাম। ভ্যান চালিয়ে যা পাইতাম তা দিয়ে কিস্তি দিতাম ও কোনোমতে সংসার চালাতাম। মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখি চুরি হয়ে গেছে।’ এ কথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই ব্যাক্তি থানায় এসে অবগত করেছেন। আমরা ভ্যানটি উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ