এই দিন দিন না, সামনে আরো দিন আছে : রিজভী

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে নিয়ে বহুমাত্রিকর কাল্পিনিক, উদ্ভট আর বিকৃত মিথ্যাচার করেই আওয়ামী লীগ ক্ষান্ত হয়নি, এখন তাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কতিপয় পদলেহী অর্বাচীন অসুস্থ লোক ইতিহাস বিকৃত করার প্রক্রিয়ায় জিয়াউর রহমানকে খাটো করার অপচেষ্টায় নিরন্তর কাজ করছে। মান্নান হীরা নামে এক ব্যক্তি নিজেকে আওয়ামী লীগের নেক নজর পাওয়ার জন্য ‘ইনডেমনিটি’ নামে তথাকথিত একটি বিকৃত ইতিহাসের চটি নাটক লিখে জয় বাংলা ব্যানারে সারা দেশে মঞ্চায়ন করে বেড়াচ্ছে গত একবছর যাবত।

আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের লেলিয়ে দেওয়া সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে মহা উৎসাহে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে জঘন্যতম কুৎসার গরল উগরে দিতে মেতে উঠেছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কতিপয় পদলেহী অর্বাচীন ইতিহাস বিকৃত করার প্রক্রিয়ায় জিয়াউর রহমানকে খাটো করার অপচেষ্টায় নিরন্তর কাজ করছেন।

রিজভী বলেন, ইতিহাস বিকৃত করে রনাঙ্গনের বীর সেক্টার কমান্ডার শহীদ জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও তার চরিত্র হননের অপপ্রয়াসের জন্য আপামর জনগন দারুনভাবে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান করার মানেই রণাঙ্গনের সকল মুক্তিযোদ্ধাকেই অপমান করা। এই অর্বাচীনরা হলো গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ব্যবসা করা ফড়িয়া ও দলালদের সহযোগী।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, এই দিন দিন না, আরো দিন আছে। দেশের জনগণই এর উপযুক্ত জবাব দেবে। বিকারগ্রস্ত ইনডেমনিটি নামে চরিত্রহননকারী নাটকের নির্মাতাদের এহেন কর্মকাণ্ডে আমি তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি এবং এর সাথে জড়িত কিংবা প্রচার করবেন জনগণ তাদের ক্ষমা করবেন না। নাটক রচয়িতাদের বলছি, বিএনপি নিরালম্ব নয়, অপপ্রচারকারী বিকৃতমনা সরকারের আনুকূল্য পাওয়া কতিপয় সাংস্কৃতিক কর্মীরাও জনগণের রোষ থেকে রেহাই পাবে না।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সৈয়দ মো. শামসুল আলম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, আমিনুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনির, জি-নাইনের খন্দকার আহাদ আহমেদ, মৎস্যজীবী দলের আব্দুর রহিম, কৃষক দলের মেহেদি হাসান পলাশ উপস্থিত ছিলেন।

 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।