ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের বাহিরে থাকা প্রার্থীর নাম গেলো প্রথমে’ অন্যদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দলীয় মনোনয় চাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী ৭জনের নাম পাঠিয়েছেন আওয়ামী লীগ। গত ১৫ মার্চ স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতারা রেজুলেশনের মাধ্যমে দলীয় মনোনয়ন চাওয়া ৭জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলী। এবং সেই তালিকা উপজেলা কমিটির সাথে সমন্বয় করে জেলাতে পাঠান তারা। আর এই ৭ জনের মধ্যে তালিকায় যাকে এক নম্বরে নাম পাঠানো হয়েছে তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। একই দলের অন্য প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন দলীয় পদ বা এলাকায় ক্লিন ইমেজ না থাকা সত্ত্বেও দলীয় মনোনয়ন চাওয়া মিজানুর রহমানের নাম তালিকাতে এক নম্বরে দেয়া হয়েছে। তার নাম কেন এক নম্বরে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে সাধারণ কর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে বিরুপ মন্তব্য। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল উলটপালট করে যোগ্যদের মূল্যায়ন না করে হুট করে মনোনয়ন চাওয়া মিজানুর রহমানের নাম দেয়া হয়েছে তালিকার প্রথমে।

এছাড়াও মিজানুর রহমান নিজেকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দাবি করে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ দলের নেতারা বলছেন সে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোনো পদেই নেই। এমনকি বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া সিভিতেও উল্লেখ করছেন দলীয় পদ। এনিয়েও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে সমালচনা। এছাড়াও ওই তালিকাতে ২ নম্বরে রয়েছেন মকসেদ আলী, ৩ নম্বরে নাজিম উদ্দিন, ৪ নম্বরে রবিউল ইসলাম,৫ নম্বরে শেখ ফিরোজ আহমেদ, ৬ নম্বরে শমসের আলী ও ৭ নম্বরে আনিছুর রহমানের নাম। এবিষয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাবেক কয়েকজন নেতা বলেন, শমসের আলী একজন রানিং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অথচ তার নাম দেয়া হয়েছে ৬ নম্বরে। এছাড়াও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত থাকেন শেখ ফিরোজ আহমেদ অথচ তার নামও দেয়া হয়েছে ৫ নম্বরে। এটা কেমন তালিকা আমাদের বোধগম্য নয়।

এক নম্বরে যার নাম দেয়া হয়েছে তো ব্যবসা বাণিজ্য নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।দলীয় কোনো মিটিং বা সভা-সমাবেশে তাকে দেখতে পাওয়া যায় না। আশাকরি জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা তালিকার সিরিয়াল দেখে মূল্যায়ন না করে যোগ্য ও সঠিক নেতৃত্ব দানকারীকে দলীয় মনোনয়ন দেবেন।  এবিষয়ে জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মকছেদ আলী বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সকল নেতাদের সাথে নিয়েই রেজুলেশান করা হয়েছে। যেহেতু আমি প্রার্থী তাই আমি সেই মিটিংএর বাহিরে ছিলাম। তারা তাদেরমত প্রার্থীর নাম সিরিয়াল করে তালিকা করেছে। আমি নিজেও একজন দলীয় চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট করেছি। তালিকাতে ১ নম্বরে নাম থাকা প্রার্থী মিজানুর রহমান দলীয় কোন পদে আছে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, সে দলের কোনো পদে নেই। তার পরেও তার নাম এক নম্বরে দেওয়া হয়েছে।