আ’লীগ নেতাদের মতো ‘সেকেন্ড হোম নীতি’ ছিল না জিয়ার: রিজভী

নিউজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতো ‘সেকেন্ড হোম নীতি’ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, দু-একটা ফ্লাইওভার করে আওয়ামী লীগের নেতারা পকেট ভারি করে কানাডায় বাড়ি বাড়াবেন, সেকেন্ড হোম করবেন মালয়েশিয়ায়- এটা জিয়াউর রহমানের নীতি ছিল না।

বুধবার সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর আড়িয়াল খাঁ বিলে মৎস্যজীবী দল মুন্সীগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে মৎস্য অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, এদেশের মানুষ গরু-ছাগল নয়, তারা মানুষ। মানুষ চিন্তা করে, মানুষ স্বাধীনভাবে চিন্তা করে যা সে সেটা লিখে বা বলতে চায়। কিন্তু শেখ হাসিনা মনে করেন, মানুষ বন্দি থাকলে আমার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলবে না।

‘তিনি দিনের ভোট রাতে করেন। জনপ্রতিনিধি কে হবে সেটি আগেই ঠিক করে রাখেন। নির্বাচনের নামে সেটি ঘোষণা দেয় মাত্র। প্রকৃত ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে না।’

জিয়া উৎপাদনের রাজনীতি করতেন দাবি করে রিজভী বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নীতি ছিল উন্নয়ন এবং উৎপাদনের রাজনীতি।

জিয়াকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার আখ্যা দিয়ে বিএনপি মুখপাত্র বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছেন। তিনি ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের আমলে বন্ধ করে দেয়া পত্রিকাগুলো চালু করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন করছে। এটি বর্তমান সরকার কেড়ে নিয়েছে। আজকে যদি আপনারা মতপ্রকাশের জন্য ফেইসবুকে কিছু লেখেন দিনে, রাতে যেকোনো সময় সাদা পোশাকধারীরা আপনাকে তুলে নিয়ে যাবে। আজকে ভোটের অধিকার নেই। আজকে কথা বলার অধিকার নেই।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাব, সদস্য সচিব আবদুর রহিম, মৎস্যজীবী দল মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন সামি প্রমুখ।

 

সুত্রঃ যুগান্তর

শর্টলিংকঃ

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, [email protected] ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন @silkcitynews.com আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।