‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট বাতিল করা দরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট যে অধিকার না দিয়েছে, অথ্য অধিকার আইন তা দিয়েছে। তাই অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এখন বাতিল করা প্রয়োজন।’

প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত এক কর্মশালায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টটি এখন প্রায় অকার্যকর। ৬০ বছর পর প্রথম সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ওই আইনে মামলা হয়েছে। সেটি আরও পর্যালোচনার দরকার ছিলো।

করোনা পরিস্থিতির কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অধিকার বিষয়ক এই কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৩৫ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। রাবির সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার পাণ্ডে রিসোর্স পার্সন হিসেবে অংশ নেন।

কর্মশালায় তিনি তথ্য অধিকার আইনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইনে উল্লেখ আছে যে এই আইনের সঙ্গে আগের কোন আইনের কোন ধারা যদি সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে তথ্য অধিকার আইনেরই প্রয়োগ হবে। এক্ষেত্রে দেখা যায় যে, তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট সাংঘর্ষিক হয়ে যাচ্ছে। তাই ৮০ বছরের পুরনো আইনটি বাতিল করা উচিত ছিল।

কর্মশালায় সভা প্রধান হিসেবে অংশ নেন পিআইবির মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। তিনি তথ্য অধিকার আইন এবং সাংবাদিকতার নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরাও তথ্য অধিকার আইনের নানা বিষয় নিয়ে জানতে চান। পিআইবি মহাপরিচালক এবং অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে  সেসব বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

স/জে