রাসিক নির্বাচন: বিএনপি সমর্থকদের গ্রেফতারের অভিযোগ

July 12, 2018 at 9:57 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থকদের হয়রাণী ও গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী নির্বাচন কমিশন অফিসের রির্টানিং অফিসার বরাবর এ অভিযোগপত্র প্রদান করেন রাসিক মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের প্রধান এজেন্ট এ্যাড:তোফাজ্জল হোসেন।

তিনি অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন, আসন্ন রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রচারণায় যখন এলাকায় জনগণ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন, ঠিক সেই সময় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তার সহযোগী পুলিশ অফিসার বিএনপির সমর্থকদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করছেন। গত ৮ জুলাই বিস্ফোরক দ্রব্যাদি বহনের অভিযোগ দেখিয়ে পূর্ব রায়পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু এবং হড়গ্রাম এলাকার হারুনার রশিদের ছেলে আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় আদালতে প্রেরণ করে। একইভাবে ষষ্টিতলা এলাকার মৃত কেতাব উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলামকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে আদালতে চালান করেন। ঐ মামলা দুইটি সম্পূর্ণ সাজানো, মিথ্যা, বানোয়াট ও বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক করে সন্ত্রাসী কায়দায় আগামী ৩০ জুলাই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জোরপূর্বক আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য অতি উৎসাহী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোয়ালিয়া থানা ও কাশিয়াডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামলা দুইটি মিথ্যাভাবে সৃষ্টি করে বিএনপি’র সমস্ত নেতাকর্মী সমর্থকদের খুঁজে বেড়াচ্ছে ও অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করছে।

অভিযোগে আরও বলা হয় গত ১০ জুলাই সমগ্র রাজশাহী মহানগরে লক্ষ লক্ষ পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পক্ষে টানানো হয়েছে। অথচ বিএনপি’র প্রাথীর পোস্টার টানাতে বাধা প্রদান করছে। এমতাবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন আমাদের ও জনগণের নিকট স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে। বোয়ালিয়া ও কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রত্যাহার করতে হবে। উক্ত মামলা দুইটির ঘটনাস্থল নিরিক্ষা ও পরিদর্শন করলে বা জুডিশিয়াল তদন্ত করলে মিথ্যা প্রমান হবে। কারণ এজাহারে উল্লেখ্য ঘটনা ঘটে নাই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঘর ছাড়া ও গ্রেফতার করে মাঠ ফাঁকা করে আগামী সিটি নির্বাচনে জোরপূর্বক গাজীপুর ও খুলনা সিটির মত নির্বাচিত হওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এর দ্রুত সমাধান করে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্টি করতে অনুরোধ করছি। ইতিমধ্যে হাইকোর্ট ও নির্বাচন কমিশন বিনা ওয়ারেন্টে হয়রাণী ও গ্রেফতার না করার জন্য বক্তব্য ও নির্দেশনা দিয়েছেন।
স/শ

Print