লিটনের হাত উচিয়ে সমর্থন দিলেন বাদশা

July 9, 2018 at 10:07 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামি ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের দুইহাত উচিয়ে সমর্থন দেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।

এসময় পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বাদশা বলেন, ‘দেশের সব সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যে প্রার্থী দিবে, তাকে আমরা সমর্থন দিব। কারণ, আমরা চাই না, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিএনপি-জামায়াত আসুক। তাই সেই সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়নে আগামীকাল থেকে আপনারা রাজশাহীর মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।’

আজ সোমবার বিকালে নগরীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মিসভায় তিনি সমর্থনসহ এই নির্দেশ দেন।

কর্মিসভায় বাদশা আরও বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য বলে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে আমার প্রতি বাধা-নিষেধ আছে। কিন্তু পার্টির কর্মীদের কোনো বাধা নেই। তাই নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিটি কর্মী-সমর্থক মাঠে থাকুন। নৌকার জয় না দেখে কেউ ঘরে ফিরবেন না। মানুষের প্রতি এই যোগাযোগ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে শুরু করে আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত অব্যাহত রাখতে হবে।’

এ সময় আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, নির্বাচন বর্জন করছে না। আবার নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তবে অনিয়মের কোনো প্রমান তারা দিতে পারছে না। আসলে নির্বাচন আসলেই বিএনপির মির্জা ফখরুলসহ আর দুই তিনজন আছেন, যারা অনিয়ম বের করার জন্যে টিভির সামনে বসে থাকেন। কিন্তু কোনো অনিয়ম খুঁজে পান না।

খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, এবার নৌকা প্রতীকে সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নৌকা হচ্ছে শেখ হাসিনার প্রতীক, উন্নয়নের প্রতীক। আগামীতে রাজশাহীসহ তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মানুষ উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দেবে।

মহানগর ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। কর্মীসভায় খায়রুজ্জামান লিটনের দুইহাত উচিয়ে তাকে সমর্থন দেন ফজলে হোসেন বাদশা।

সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামানিক দেবুর পরিচালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্টির মহানগরের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স/অ

Print