বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নাই: বুলবুল

July 8, 2018 at 10:31 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব বা কোন্দল নাই। এছাড়াও জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব বা দ্বিধা নাই। বিএনপি সম্পূর্ন একতাবদ্ধ ও সুসংগঠিত এবং সুশৃংখল একটি দল।

রোববার সকালে ডিসি’র বাংলোর সামনে চ্যানেল ২৪ নিটল টাটা মুখোমুখি অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি নির্বাচন নিয়ে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হলেও সরকারের রোষানলে পরে মাত্র ২৬ মাস চেয়ারে বসেছেন। বাকী সময় জেলে এবং কোর্টের বারান্দায় ধর্না দিয়েছেন। তার পরেও তিনি এই স্বল্প সময়ে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়াও গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি, হেলদি সিটি ও এডুকেশন সিটি এবং শান্তির শহর হিসেবে তিনি এই সিটি কর্পোরেশনকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। বিগত সময়ের মেয়রের আমলে মেয়র সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ প্রকল্প বাস্তাবায়নের নামে কমিশন এজেন্টে পরিণত হয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের যোগসাজসে প্রহসনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে সাসপেন্ড করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মেয়র প্রার্থী লিটন তার আত্মীয় একজন কাউন্সিলরকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে চেয়ারে বসিয়ে সকল প্রকার অপকর্ম ও দুর্নীতি করেছে। নগরবাসীর উপর বর্ধিত ট্যাক্স বসিয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছে। আইনী লড়াই শেষে ক্ষমতায় বসে জনগণের সেই দুর্ভোগ লাঘবের চেষ্টা করেছেন বলে জানান বুলবুল।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহী হচ্ছে বিএনপি’র ঘাটি। তৎকালীন আমল থেকে এখানে বিএনপি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁকে অত্যন্ত ভালবাসেন। স্নেহ করেন, সম্মান করেন। কারন তিনি কনো দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। প্রতিটি প্রকল্প ও কার্যক্রম সঠিকভাবে তিনি নিজে তদারকী করে বাস্তবায়ন করেছেন। আরো কাজ চলমান রয়েছে। সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় কন্সট্রাকশন কোম্পানী মীর আকতারকে দিয়ে রাস্তার কাজ করাচ্ছেন। যাতে নগরবাসী এর সুফল দীর্ঘদিন পান।

পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০৫০সাল নাগাত এই শহরকে আরো স্মার্ট এবং বিশ্বের নান্দনিক সিটির ন্যায় করে গড়ে তুলতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিটিকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে টাইলে তিনি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাচনী ইস্তেহারের মাধ্যমে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রকাশ করবেন বলে জানান বুলবুল।

স/অ

Print