খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার নির্বাচিত

May 15, 2018 at 9:28 pm

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে গণনা। প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধে উত্তাপ ছড়ালেও দলীয় প্রতীকে প্রথম নির্বাচন নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ২৮৬ টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ১ লাখ ৮ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়েছেন।

ইতোমধ্যে তালুকদার আব্দুল খালেক বেসরকারী ভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাত মাস আগে এ নির্বাচনকে ঘিরে সব মহলের নজর এখন খুলনায়। এর আগে সোমবার নির্বাচনী মালামাল সব ভোট কেন্দ্রে পৌঁছায়। সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রার্থী, ভোটার ও ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৯ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সোমবার রাতে বিভিন্ন কেন্দ্রে সরেজমিন ঘুরে খোঁজখবর নিয়েছেন ইসির নিজস্ব কর্মকর্তারা।

একনজরে ভোটের তথ্য

এবার খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন, সাধারণ ৩১টি ওয়ার্ডে ১৪৮ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ জন নারী কাউন্সিলরসহ ১৯১ জন প্রার্থী রয়েছেন। যদিও প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারের মাঝপথে তিন কাউন্সিলর প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন করে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

৪৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ নগরীতে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২৮৯টি ও ভোটকক্ষ ১ হাজার ৫৬১টি। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন, যার মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন ও নারী ভোটার দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।

 

৫ কেন্দ্র ও ওয়ার্ডে ইভিএম ও সিসি ক্যামেরা

ভোটার সচেতন এবং শিক্ষিত ও শহরকেন্দ্রিক ২৪ ও ২৭নং ওয়ার্ডে ইভিএমে ভোট নেয়া হয়েছে।

আর ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিবেচনায় সিটির তিনটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার সহায়তায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন, যার মধ্যে বিএল কলেজ কেন্দ্র, পিটিআই কেন্দ্র এবং পাইওনিয়র কলেজ কেন্দ্র।

ভোটারদের গতিবিধি ও ভোট গ্রহণ কার্যক্রম ওই ক্যামেরার সাহায্যে অবলোকন করে কমিশন। এসব প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য আইটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা হয়।

Print