তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে

April 17, 2018 at 10:20 pm

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

২০০৮ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর শেখ হাসিনা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন। আর এই তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে, দেশের যুব সমাজকে তথ্য প্রযুক্তিখাতে প্রশিক্ষিত করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে, অবিস্মরণীয় অবদান রাখছে সরকার।

তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে ১০ বছর আগে বছরে আড়াই কোটি ডলারের সমান রফতানি হতো, সরকারের প্রচেষ্টায় বর্তমানে এ খাতে আয় ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই খাতে মাত্র ৩০০ কর্মী ছিল, এখন ৪০ হাজারেরও বেশি।

১৫ই এপ্রিল রাজধানীতে বিপিও সামিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয় ২০২১ সালের মধ্যে বিপিও খাতে কর্মসংস্থান এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গার্টনারের মতে, বাংলাদেশ সেরা ৩০টি অফশোর তথ্যপ্রযুক্তি গন্তব্যের একটি। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ওডেস্কের মতে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ আউটসোর্সিং শহর। বৈশ্বিক ব্যবস্থাপনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এটকারনারির মতে, বাংলাদেশ ২৬তম আকর্ষণীয় আইটি আউটসোর্সিং গন্তব্যের দেশ এবং আর্থিকভাবে প্রথম আকর্ষণীয় তথ্যপ্রযুক্তি গন্তব্যের দেশ।

সরকারের উদ্যোগে ও সহযোগিতায় গঠিত শতাধিক আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি তরুণ তরুণী প্রশিক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণদের কাজ বিশ্বমানের হওয়ায় অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসছে। মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে এরই মধ্যে ২ কোটির বেশি ডলার বিনিয়োগ করেছে।

তথ্য প্রযুক্তিখাতে দেশের সাফল্যের এ ধারা বজায় থাকলে বলা যায় বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশের তরুণরা।

Print