তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশনা

March 14, 2018 at 8:09 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজে ও আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে, তামাকের সকল ধরনের বিজ্ঞাপন, প্রচার, পৃষ্ঠপোষকতা তথা বিক্রয় কেন্দ্রে বিজ্ঞাপন বন্ধ ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নিকট বা তাদের দ্বারা তামাক ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ, সকল পাবলিক প্লেসসমূহে সতর্কতা নোটিশ প্রদর্শন নিশ্চিত করার জন্য ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালার অধিকতর প্রয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের একথা বলেন।

বুধবার মানবাধিকার সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডি’র সহায়তায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা মোবাইল কোর্ট সংক্রান্ত পর্যালোচনায় তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের অধিকতর প্রয়োগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করা,মাসে অন্তত একবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং যেকোন ধরনের মোবাইল কোর্টে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

এডভোকেসি সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পালের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: সাবেত আলী, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছা: নাছিমা খাতুন ,সহ: কমিশনার ও এক্সি: ম্যাজিস্ট্রেট, মামনুন আহমেদ অনীক সহ আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা এবং উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সাংবাদিক, প্রমূখ।

তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত বেসরকারী সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিডির প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর এহসানুল আমীন ইমন মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টশন শেষে তামাক কোম্পানী কর্তৃক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা এবং পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের অধিকতর প্রয়োগের উপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি উপস্থিত প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ধূমপানের ফলে একদিকে যেমন পরোক্ষ ধূমপায়ী বাড়ছে অন্যদিকে তামাকের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ঠ হয়ে নতুন জনগোষ্ঠী ধূমপানের প্রতি আসক্ত হচ্ছে, যা পরবর্তীতে অনান্য মাদকাসক্তে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এ জন্য সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, শহরে সকল ধরনের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করতে হবে নতুবা আইন অমান্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন অমান্যকারীকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এসিডির প্রেগ্রাম অফিসার কৃষ্ণা বিশ্বাস ও মো: তুহিন ইসলাম ।
স/শ

Print