বাঘায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সারিবদ্ধ গম উৎপাদন

January 17, 2018 at 6:14 pm

আমানুল হক আমান:
রাজশাহীর বাঘায় চলতি মৌসুমে সারিবদ্ধভাবে গম উৎপাদনের কারনে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে মাঠে মাঠে সারিবদ্ধভাবে গম উৎপাদনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। রোপনকৃত গম দেখে কৃষকের মনে যথেষ্ট আশার আলো সঞ্চার হচ্ছে। গম সহজ একটি আবাদ, ন্যূনতম সেচ, সার ও ওষুধ ব্যবহার করতে হয়।

সুষ্ঠু কর্মপরিকল্পনায় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মধ্যে উন্নত জাতের বীজ ও চাষাবাদ প্রযুক্তি হস্তান্তরের কারনে উপজেলায় চলতি মৌসুমে গমের আবাদে বিপ্লব ঘটাতে পারে বলে কৃষকদের ধারণা। গমে বর্তমানে মূল্য ভালো পাওয়ার কারণে উপজেলায় গমের আবাদ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

চলতি মৌসুমে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ব্যাপক গমের আবাদ হয়েছে। উপজেলায় ৩ হাজার ৩৯০ হেক্টর জমিতে গমের আবাদের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৯২৫ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৩৫ হেক্টর বেশি জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। এছাড়া সারিবদ্ধভাবে গমের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আরো ভালো ফলনেরর আশা করছে কৃষকরা।

মনিগ্রাম ইউনিয়নের হেলালপুর গম চাষি মুনছুর হোসেন সিল্কসিটি নিউজকে জানান, আমি দেড় বিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে গম রোপন করেছি। এতে ফলন ভালো হয়। সহকারি কৃষি কর্মকর্তা হাসমত আলীর পরামর্শে এই আবাদ করেছি। এছাড়া গত মৌসুমে এক বিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে গম রোপন করে ভালো ফলন পেয়েছিলাম। ফলে চলতি মৌসুমে আরো ১৬ শতাংশ বাড়িয়ে আবাদ করেছি।

মীরগেঞ্জর রফিকুল ইসলাম জানান, মুনছুর আলীর দেখা দেখি এবার এক বিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে গমের আবাদ করেছি। আশা করছেন সাধারণভাবে গম রোপনের চেয়ে সারিবদ্ধভাবে চাষ করে লাভবান হব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছাবিনা বেগম সিল্কসিটি নিউজকে জানান, আমাদের পরামর্শে ইতিমধ্যে সারিবদ্ধভাবে গম চাষ ব্যাপকভাবে হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হেক্টরপ্রতি তিন মেক্ট্রিকটন ফলনা আশা করা হচ্ছে। তবে মাঠে মাঠে গমের গাছ ভালো আছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কৃষক ভালোভাবে মাঠ থেকে গম কেটে ঘরে তুলতে পারলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

স/শ

Print